999c-তে প্রতিদিন নতুন অফার আসে। ওয়েলকাম বোনাস থেকে শুরু করে সাপ্তাহিক ক্যাশব্যাক, ক্রিকেট স্পেশাল ও লয়্যালটি রিওয়ার্ড — সব অফার এই পেজে একসাথে পাবেন।
999c-র সব সক্রিয় অফার এখানে। যেকোনো একটি বা একাধিক অফার একসাথে ব্যবহার করুন।
999c-র প্রতিটি অফারের বিস্তারিত তথ্য নিচে দেওয়া আছে। আপনার প্রয়োজন অনুযায়ী সঠিক অফারটি বেছে নিন।
| অফারের নাম | পরিমাণ | অবস্থা |
|---|---|---|
| ওয়েলকাম বোনাস নতুন সদস্য |
১০০% / ৳১০,০০০ | সক্রিয় |
| সাপ্তাহিক ক্যাশব্যাক সকল সদস্য |
১০% / ৳৫,০০০ | সক্রিয় |
| ক্রিকেট স্পেশাল টুর্নামেন্ট মৌসুম |
২৫% / ৳৩,০০০ | সক্রিয় |
| ফ্রি বেট সাপ্তাহিক |
৳৫০০ টোকেন | সক্রিয় |
| লয়্যালটি পয়েন্ট সারা বছর |
১ পয়েন্ট/৳১০ | সক্রিয় |
| রেফারেল বোনাস সকল সদস্য |
৳৩০০/রেফারেল | সক্রিয় |
| ঈদ স্পেশাল বোনাস উৎসব মৌসুম |
৫০% / ৳৮,০০০ | শীঘ্রই |
বাংলাদেশে অনলাইন বেটিং করেন এমন যেকেউ জানেন যে একটা ভালো বোনাস অফার কতটা পার্থক্য তৈরি করতে পারে। 999c এই বিষয়টা বোঝে, তাই তারা এমন প্রোমোশন তৈরি করেছে যেগুলো বাংলাদেশের বেটরদের আসল প্রয়োজনীয়তার কথা মাথায় রেখে ডিজাইন করা।
ওয়েলকাম বোনাসটা নিঃসন্দেহে সবচেয়ে আলোচিত অফার। প্রথমবার ডিপোজিট করলেই ১০০% বোনাস সরাসরি ব্যালেন্সে চলে আসে। ধরুন আপনি ৳২,০০০ ডিপোজিট করলেন — সাথে সাথে আরও ৳২,০০০ বোনাস পেলেন। মোট ৳৪,০০০ দিয়ে বেট শুরু করা মানে অনেক বেশি সুযোগ, অনেক বেশি মজা। আর সর্বোচ্চ সীমা ৳১০,০০০ পর্যন্ত — মানে কেউ ৳১০,০০০ দিলে মোট ৳২০,০০০ নিয়ে খেলা শুরু করতে পার বেন।
বেটিংয়ে সবসময় জেতা সম্ভব না — এটা সবাই জানে। কিন্তু 999c-র সাপ্তাহিক ক্যাশব্যাক অফারটা হারের ব্যথাটা একটু কমিয়ে দেয়। প্রতি সোমবার সকালে গত সপ্তাহের নেট লসের ১০% সরাসরি আপনার অ্যাকাউন্টে ফেরত আসে। মাত্র ১x রোলওভার — মানে প্রায় সরাসরি উইথড্র করার মতোই। এই অফারটা নিয়মিত বেটরদের জন্য সবচেয়ে কাজের, কারণ একটানা খেলতে থাকলে প্রতি সপ্তাহেই কিছু না কিছু ফেরত পাওয়া যায়।
বাংলাদেশে ক্রিকেট মানেই আলাদা আবেগ। আইপিএল মৌসুমে, বিপিএল চলার সময় কিংবা বাংলাদেশ জাতীয় দলের কোনো বড় সিরিজে 999c আলাদা বোনাস অ্যাক্টিভেট করে। ক্রিকেট বেটে অতিরিক্ত ২৫% বোনাস পাওয়া মানে একই পরিমাণ বেটে অনেক বেশি সম্ভাব্য আয়। টুর্নামেন্টের সময়সূচি দেখে আগে থেকে পরিকল্পনা করলে এই বোনাসটা সবচেয়ে বেশি কাজে লাগে।
এছাড়াও 999c মাঝে মাঝে নির্দিষ্ট ম্যাচের জন্য বুস্টেড অডস দেয় — অর্থাৎ স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি অডসে বেট করার সুযোগ। এই অফারগুলো সাধারণত ম্যাচের কয়েক ঘণ্টা আগে ঘোষণা করা হয়, তাই 999c-র নোটিফিকেশন চালু রাখা বুদ্ধিমানের কাজ।
ফ্রি বেট টোকেনের ব্যাপারটা অনেকের কাছে একটু গোলমেলে লাগে, কিন্তু আসলে এটা বেশ সহজ। প্রতি সপ্তাহে ন্যূনতম ৳২,০০০ বেট করলে ৳৫০০ ফ্রি বেট টোকেন পাবেন। এই টোকেন দিয়ে যেকোনো স্পোর্টস মার্কেটে বেট রাখতে পারবেন — জিতলে পুরো টাকা আপনার, হারলে নিজের পকেট থেকে কিছু যাবে না। সপ্তাহে নিয়মিত বেটিং করেন এমন যেকেউ স্বাভাবিকভাবেই এই সীমা ছুঁয়ে ফেলেন, তাই এটা একটা বিনামূল্যে পাওয়া সুযোগ।
999c-র লয়্যালটি পয়েন্ট সিস্টেমটা দীর্ঘমেয়াদী বেটরদের জন্য সত্যিকারের পুরস্কার। প্রতিটি বেটে পয়েন্ট জমে, পয়েন্ট দিয়ে ক্যাশ বা ফ্রি বেট পাওয়া যায়। চারটি স্তর আছে — সিলভার, গোল্ড, প্লাটিনাম এবং ডায়মন্ড। উপরের স্তরে গেলে ক্যাশব্যাক রেট বাড়ে, বিশেষ উপহার আসে এবং ডেডিকেটেড অ্যাকাউন্ট ম্যানেজার পাওয়া যায়।
বেটিং একা একা করার চেয়ে বন্ধুদের সাথে করলে আরও মজাদার হয়। 999c-র রেফারেল প্রোগ্রামে বন্ধুকে রেজিস্ট্রেশন ও প্রথম ডিপোজিট করতে সাহায্য করলে আপনি পাবেন ৳৩০০ বোনাস। এটা সীমাহীন — যত বন্ধু আনবেন তত বোনাস পাবেন। বন্ধুরাও তাদের ওয়েলকাম বোনাস আলাদাভাবে পাবেন।
অনেকেই বোনাস পেয়ে উত্তেজিত হয়ে রোলওভার শর্তটা মিস করে ফেলেন। মনে রাখবেন, বোনাস উইথড্র করতে হলে নির্দিষ্ট পরিমাণ বেট করতে হবে। যেমন ৳১,০০০ বোনাসে ৫x রোলওভার মানে মোট ৳৫,০০০ বেট করতে হবে। এটা আসলে কঠিন না — কারণ একটু নিয়মিত বেট করলেই এই শর্ত পূরণ হয়ে যায়।
আরেকটা বিষয় হলো একই সময়ে একাধিক বোনাস একসাথে ব্যবহার করার চেষ্টা না করা। 999c-র বোনাস সিস্টেম এভাবে কাজ করে যে সক্রিয় বোনাস শেষ হলে পরের বোনাস অ্যাক্টিভেট হয়। সুতরাং ধৈর্য রেখে একটা একটা করে ব্যবহার করুন।
999c-র মোবাইল অ্যাপ বা মোবাইল সাইট ব্যবহার করলেও সব প্রোমোশন একইভাবে কাজ করে। আলাদা কোনো মোবাইল-এক্সক্লুসিভ অফারও মাঝে মাঝে আসে, সেগুলো সাধারণত পুশ নোটিফিকেশনের মাধ্যমে জানানো হয়। তাই অ্যাপে নোটিফিকেশন চালু রাখলে কোনো অফার মিস হওয়ার সম্ভাবনা থাকে না।
সবশেষে বলা যায়, 999c-র প্রোমোশন সিস্টেমটা বাংলাদেশের বেটরদের কথা সত্যিকার অর্থেই ভেবে তৈরি। ছোট বাজেটে শুরু করুন, বোনাস ব্যবহার করুন, ধীরে ধীরে অভিজ্ঞতা বাড়ান — এটাই সবচেয়ে স্মার্ট পদ্ধতি।